effectero খাওয়ার নিয়ম | যে কোন ঔষধ খাওয়ার সঠিক নিয়ম

এন্টিবায়োটিক ঔষধ খাওয়ার নিয়ম, Effectero খাওয়ার নিয়ম, কৃমির ট্যাবলেট কি চুষে খেতে হয়, ঔষধ সেবনের নিয়ম, ঔষধ বেশি খেলে কি হয়,

ঔষধ খাওয়ার নিয়মঃ

আমরা যখন ডাক্তারের কাছে যাই তখন তারা আমাদেরকে প্রেসক্রিপশনে কিছু ঔষধ ও উপদেশ লিখে দেন। ঔষধ আমরা খাই কিন্তু অনেক সময় তারপরেও রোগ মুক্তি ঘটে না বা অন্যান্য অসুবিধা দেখা দেয় । কিন্তু কেন এই অসুবিধা হয় বা হতে পারে? চলুন জেনে নেওয়া যাক কিভাবে ঔষধ খেতে হবে এবং ঔষধ খাওয়ার ব্যপারে কি কি সর্তকতা অবলম্বন করতে হবে ----

সময় মত ঔষধ খাওয়াঃ

ডাক্তারের দেওয়া সময় অনুযায়ী ঔষধ খেতে হবে। কখনোই নিজের ইচ্ছামত সময়ে ঔষধ খাওয়া ঠিক নয়। প্রেসক্রিপশনে যদি উল্লেখ থাকে যে কোনো ঔষধ, খাবারের আগে বা পরে খেতে হবে তা সেই নিয়মে খেতে হবে। কারণ তা না হলে ওই ঔষধ ঠিকমতো কাজ করবেনা অথবা রোগীর ক্ষতি হতে পারে। যেমন- ব্যথার ঔষধ সব সময় ভরা পেটে খেতে বলা হয়ে থাকে। 

পরিমাণ মত ঔষধ খেতে হবেঃ

ডাক্তার যত চামচ বা যতটা ট্যাবলেট খেতে বলবেন ঔষধ ঠিক ততটুকুই খেতে হবে। এর কম বা বেশি খেলে বিপদ হতে পারে। অনেক রোগী নিজেকে বেশি বা কম অসুস্থ মনে করে ঔষধ কম-বেশি খেয়ে থাকেন। এটা করা কখনই ঠিক না।

শিশুদের ক্ষেত্রে ঔষধ খাওয়ার নিয়মঃ

শিশুদের ঔষধ এর ক্ষেত্রে মাপ সঠিক হওয়া অত্যন্ত জরুরী বিষয়। এটা খেয়াল রাখতে হবে। ড্রপ বা চামচ কি দিয়ে মেপে নিতে বলা হয়েছে তা লক্ষ্য রাখবেন।

কোন ঔষধ কত দিন খেতে হবেঃ

যে ঔষধ যতদিন খেতে বলা হয় ঠিক ততদিনই খেতে হবে। এন্টিবায়োটিক এর ক্ষেত্রে এটা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ একটি বিষয়। অনেক রোগী মনে করেন, আমি এখন ভালো আছি আর ঔষধ খেতে হবে না, কিন্তু এটা ঠিক নয়। প্রেসক্রিপশনে দেওয়া নির্দিষ্ট সময় পর্যন্ত ঔষধ খেতে হবে। আর তাতে সুস্থ না হলে আবারও ডাক্তারের পরামর্শ নিন। নির্ধারিত সময়ের পরেও ঔষধ গ্রহন ঠিক নয়। ঠিক যতদিন খেতে বলা হয় ততদিনই ওষুধ খাবেন।

পূর্বের প্রেসক্রিপশন অনুযায়ী ঔষধ খাওয়া যাবে কিনাঃ

অনেক রোগী আছেন পূর্বের প্রেসক্রিপশন অনুযায়ী ঔষধ গ্রহন করছেন। ধরা যাক পেটে ব্যথার কারণে একবার ডাক্তারের শরণাপন্ন হয়েছিলেন এবং সেই প্রেসক্রিপশন অনুযায়ী ঔষধ খেয়ে ভাল হয়ে গেছেন। দ্বিতীয়বার আবার পেটে ব্যথা হলে সেই পূর্বের প্রেসক্রিপশন অনুযায়ী ঔষধ খেতে শুরু করলেন। এটা কোনো ভাবেই ঠিক নয়। এরকম কখনো করবেন না। এভাবে বিপদজনক পরিস্থিতির সৃষ্টি হতে পারে। ডাক্তারের পরামর্শ ব্যতীত কোনো ঔষধ গ্রহন ঠিক নয়।

 ঔষধ কেনার সময় যা মাথায় রাখবেনঃ

প্রেসক্রিপশনের সাথে মিলিয়ে দেখুন ঔষধ কিনেছেন কিনা। তারপর ডাক্তারের দেওয়া পরামর্শ ও উপদেশ অনুযায়ী ঔষধ খাওয়া শুরু করুন। আর একটা কথা, শুধু ঔষধ খেলেই হবে না, ডাক্তারের দেওয়া উপদেশ গুলো মানতে হবে।

অত্যন্ত পরিচিত জরুরী কথা, ঔষধ কখনো অন্ধকারে খাবেন না এবং ঔষধ শিশুদের নাগালের বাইরে রাখুন। 

মানুষ আরো যেসব লিখে সার্চ দিয়ে থাকেঃ

এন্টিবায়োটিক ঔষধ খাওয়ার নিয়ম, কৃমির ট্যাবলেট কি চুষে খেতে হয়, ঔষধ সেবনের নিয়ম, ঔষধ বেশি খেলে কি হয়, ন্যাপ্রোক্সেন খাওয়ার নিয়ম, কৃমির ট্যাবলেট খাওয়ার নিয়ম, Effectero খাওয়ার নিয়ম, খালি পেটে ওষুধ খেলে কি হয়, ভিটামিন খাওয়ার নিয়ম, এন্টিবায়োটিক ঔষধ খাওয়ার আগে না পরে, অ্যালজিসাম সিরাপ, ইত্যাদি। সকল ঔষধই ডাক্তারের পরামর্শ অনুযায়ী এবং নিয়ম অনুযায়ী খাবেন। 


Next Post
No Comment
Add Comment
comment url