কালার করা চুলের পরিচর্যা করবেন যেভাবে | চুলের জত্ন সেরা ৬ উপায়ে

কালার করা চুলের জত্ন, চুলের কালার,

কালার করা চুলের পরিচর্যাঃ

বর্তমান সময়ে চুলের সাজে জনপ্রিয় ট্রেন্ড হচ্ছে চুলে কালার করা। কিন্তু কালার করার পর সঠিক পরিচর্যার অভাবে চুল রুক্ষ হয়ে যায় । আর সে কারণেই কিভাবে কালার করা চুলের যত্ন নেবেন তা নিম্নে বর্ণিত হলো:

তেল: 

কালার করা চুলেও সপ্তাহে দুই দিন তেল দিতে হবে। এতে চুলের রুক্ষতা অনেকটাই কমে আসবে। নারিকেল তেলের সঙ্গে কয়েক ফোঁটা ক্যাস্টর অয়েল বা অ্যাভোকাডো অয়েল মিশিয়ে নিতে পারেন। তাহলে চুল ঝরঝরে থাকবে এবং কম ঝরবে।

শ্যাম্পু: 

কালার করা চুলের শ্যাম্পু আলাদা। অন্যান্য সাধারন শ্যাম্পু ব্যবহারে চুল রুক্ষ হয়ে যেতে পারে। তাছাড়া  চুলের কালারও দ্রুত নষ্ট হয়ে যেতে পারে। কালার ট্রিটেড, সালফেট-ফ্রি লেখা দেখেই শ্যাম্পু কিনতে হবে। কারণ সালফেট-ফ্রি শ্যাম্পু স্ক্যাল্পের ক্ষতি করে না। চুলও ভালো পরিষ্কার করে। 

তাছাড়া কালার ট্রিটেড শ্যাম্পুতে এন্টি অক্সিডেন্ট, প্রোটিন এবং অ্যামিনো অ্যাসিড থাকে। যার ফলে হেয়ার কিউটিকল গুলো শক্তিশালী হয়, চুলের রুক্ষতা কমে, চুল পড়া বন্ধ এবং চুলের কালার লং লাস্টিং হয়। এছাড়া চুলের পি এইচ ব্যালেন্স ঠিক রাখে।

কন্ডিশনার:

শ্যাম্পু করার পর পর কন্ডিশনার ব্যবহার করতে হবে। কন্ডিশনার চুলকে সফট ও স্মুথ করে থাকে। কালার করা চুলে ঠিকমতো কন্ডিশনার ব্যবহার করলে চুলের রুক্ষতা থাকে না। এছাড়া কন্ডিশনার ব্যবহারের ফলে সূর্যের ক্ষতিকারক রশ্মির কারনে চুলের কালার হালকা হওয়া থেকে রক্ষা করে।

হেয়ার মাস্ক: 

কালার করা চুলের জন্য সপ্তাহে একদিন হেয়ার মাস্ক ব্যবহার করতে হবে। হেয়ার মাস্ক কালার লক করতে সাহায্য করে, চুল সফট রাখে। হেয়ার মাস্ক ব্যবহারের আগে হালকা করে চুল ভিজিয়ে নিতে হবে। খেয়াল রাখতে হবে যেন স্ক্যাল্পে না লাগে। এতে চুলের গোড়া নরম হয়ে যাবে এবং চুল ঝরে যাওয়ার আশঙ্কা থাকবে।

হেয়ার মাস্ক ব্যবহারের পর গরম পানিতে তোয়ালে ভিজিয়ে সেটা দিয়ে চুল পেঁচিয়ে রাখতে পারেন। এর ফলে চুলের ভেতর থেকে রুক্ষতা দূর হবে। এরপর 15-20 মিনিট পর ঠাণ্ডা পানি দিয়ে ধুয়ে ফেলুন।

হেয়ার সিরাম:

অনেকের হেয়ার মাস্ক দেওয়ার সময় হয় না। তারা হেয়ার সিরাম ব্যবহার করতে পারেন। আধ ভেজা চুলে কয়েক ফোঁটা হেয়ার সিরাম মেখে নিলেই হবে।

হিট প্রটেক্টর:

হিট প্রটেক্টর কালার চুলের পরিচর্যায় খুবই দরকারি। চুলের স্টাইল করতে চুলে হিট প্রয়োগ করা হয়, যার ফলে চুলের কালার হালকা হতে থাকে, সঙ্গে চুল রুক্ষও হয়ে যায়। হেয়ার প্রটেক্টর চুলের ওপর একটি লেয়ার তৈরি করে। যার ফলে চুলের কালার লক রাখে। এছাড়া হিট প্রটেক্টর চুলের ন্যাচারাল ময়েশ্চার লেবেল ধরে রাখে, চুলকে করে সফট এবং স্মুথ।

Next Post Previous Post
No Comment
Add Comment
comment url